অনুবাদ: হযরত জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) একবার প্রশাব করে অযু করলেন এবং মোযার ওপর মাসেহ করলেন। তারপর দাঁড়িয়ে নামায আদায় করলেন। তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি আল্লাহর নবী (সা.)-কে এমন করতে দেখেছি। ইবরাহীম বলেন, লোকজন জারীরের এই হাদীসটি খুব পছন্দ করতো। কেননা তিনি সবার শেষে ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম ছিলেন।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: শিরোনামের উভয় হাদীস দ্বারাই মোজার উপর মাসেহ প্রমাণিত হয়েছে। ইমাম বুখারী (র.) জুতার আলোচনার পর মোজার আলোচনা উলেখ করে শিয়াদের সহ অন্যান্যদের মতবাদ খণ্ডন করেছেন যারা বলে যে, অজুর আয়াত দ্বারা মোজার উপর মাসেহ মানসূখ হয়ে গেছে। ইমাম বুখারী হযরত জারীর (রা.)-এর হাদীস এনে জানিয়ে দিলেন যে, তা মানসুখ হয়নি। কারণ, জারীর (রা.) মুসলমান হয়েছেন সূরা মা-ইদার আয়াত (অজুর আয়াত) অবতীর্ণ হওয়ার পর দশম হিজরীর রমযান মাসে। সাহাবায়ে কেরাম জারীর (রা.)-এর হাদীসটি শুনে খুবই খুশী হলেন। কারণ এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, মোজার উপর মাসেহ করার বিধান রহিত হয়নি; বরং বহাল রয়েছে। পাশাপাশি শিয়াদের মতবাদও সম্পূর্ণরূপে খণ্ডিত হয়ে গেছে।
কোন মন্তব্য নেই