Header Ads

সহীহ বুখারীঃ কিতাবুল ইমানঃ মুনাফিকের নিদর্শন বর্ণনা প্রসঙ্গে

باب علامة المنافق

অধ্যায় : মুনাফিকের নিদর্শন বর্ণনা প্রসঙ্গে

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ أَبُو الرَّبِيعِ، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا نَافِعُ بْنُ مَالِكِ بْنِ أَبِي عَامِرٍ أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلاَثٌ إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ ‏"‏‏.‏


حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ بْنُ عُقْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ أَرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ مُنَافِقًا خَالِصًا، وَمَنْ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنْهُنَّ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفَاقِ حَتَّى يَدَعَهَا إِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ وَإِذَا حَدَّثَ كَذَبَ وَإِذَا عَاهَدَ غَدَرَ، وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ ‏"‏‏.‏ تَابَعَهُ شُعْبَةُ عَنِ الأَعْمَشِ‏.‏


অনুবাদ : হযরত আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন, মুনাফিকের আলামত তিনটি (১) কথা বললে মিথ্যা বলে। (২) ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে। (৩) আর তার কাছে কোন আমানত রাখা হলে তার খেয়ানত করে।

দ্বিতীয় হাদীসের অনুবাদ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন, চারটি (দোষ) যার মধ্যে থাকে সে নিরেট মুনাফিক। আর যার মধ্যে উক্ত দোষগুলোর কোনো একটি থাকে, তা ত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনফেকীর একটি স্বাভাব থেকে যায়। (১) তার কোনো আমানত রাখা হলে সে তার খেয়ানত করে। (২) সে কথা বললে মিথ্যা বলে। (৩) ওয়াদা করলে তা ভঙ্গ করে। (৪) আর সে ঝগড়া করলে, গালাগালি দেয়।

হাদীসের সামঞ্জস্য: তরজমাতুল বাব হলো علامة المنافق আর হাদীসেও রয়েছে اية المنافق ثلاثة সুতরাং উভয় হাদীসের সাথেই তরজমাতুল বাবের সম্পর্ক সুস্পষ্ট।

হাদীসটির পুনরাবৃত্তি : ইমাম বুখারী (র.) এ হাদীসটি বুখারী শরীফের ১০, ৩৬৮, ৩৬৯, ৩৮৪, ৯০০ নং পৃষ্ঠাসমূহে পুনরুল্লেখ করেছেন।

পূর্বের সাথে যোগসূত্র:

১. পূর্ববর্তী পরিচ্ছেদ ছিল ظلم دون ظلم -এর আলোচনা, আর এ পরিচ্ছেদে মুনাফিকির আলোচনা করছেন, যা স্বতন্ত্র একটি জুলুম।

২. পূর্ববর্তী পরিচ্ছেদে এটা বলা হয়েছিল যে, জুলুমের বিভিন্ন স্তর ও প্রকার রয়েছে। কোনোটি এমন যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়, আবার কোনোটি বের করে না। তেমনিভাবে এ পরিচ্ছেদে বলা হচ্ছে যে, মুনাফিকিরও বিভিন্ন স্তর রয়েছে।

বাবের উদ্দেশ্য : এ বাব দ্বারা ইমাম বুখারী (র.)-এর উদ্দেশ্য হলো এটা বর্ণনা করা যে, যেমনিভাবে ইমান ও কুফর-এর বিভিন্ন স্তর রয়েছে, তেমনিভাবে কুফরিরই একটি প্রকার নিফাকেরও বিভিন্ন স্তর রয়েছে। তাই তার আলামত বলে দিয়েছেন যে, যার মধ্যে সেই আলামতগুলি অধিক হবে সে পরিপূর্ণ মুনাফিক, আর যার মধ্যে সেগুলি কম পাওয়া যাবে সে তার চেয়ে নিম্মস্তরের মুনাফিক। সুতরাং বুঝা গেল যে, নিফাকেরও অনেকগুলি স্তর রয়েছে।


প্রশ্ন : বাবের প্রথম হাদীস হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, যাতে মুনাফিকের আলামত তিনটি বলা হয়েছে। আর দ্বিতীয় হাদীস হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যাতে আলামত বর্ণনা করা হয়েছে চারটি। বাহ্যত উভয় হাদীসের মধ্যে দ্ব›দ্ব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর সমাধান কি?

উত্তর :

১. কম সংখ্যা অধিক সংখ্যাকে অস্বীকার করে না।

২. সম্ভবত হুযুর (স.) প্রথমে তিনটির কথা জানতে পেরেছিলেন, পরবর্তীতে চতুর্থটির কথা জানতে পেরেছিলেন। তাই যখন যেমন জানতে পেরেছেন তখন তেমনি বর্ণনা করে দিয়েছেন।

৩. মুসলিম শরীফে রেওয়ায়েতটি বর্ণিত হয়েছে এভাবে:مِن علامات المنافق ثلاث الخ এখানে مِن টি تبعيضية ; সুতরাং এর দ্বারা বুঝা গেল যে, আলামতসমূহ তিনটির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

৪. কারো কারো মতে উভয় বর্ণনার আলামতগুলোকে একত্র করলে সর্বমোট পাঁচটি হয়ে যায়। ক. মিথ্যা বলা। খ. বিশ্বাসঘাতকতা করা। গ. অঙ্গিকার ভঙ্গ করা। ঘ. চুক্তি ভঙ্গ করা। ঙ. অশ্লীল গালমন্দ করা। এ পাঁচটিকে তিনটি দ্বারাই ব্যক্ত করা যায়। فجور তথা অশ্লীল গালমন্দ মিথ্যার অধীনে আসতে পারে। কারণ ঝগড়া-ঝাটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলেই তাকে ফুজূর বলা হয়। তাছাড়া অঙ্গিকারভঙ্গ ও চুক্তিভঙ্গের মধ্যে বস্তুত কোনো পার্থক্য নেই। এমতাবস্থায় তিনটি স্বভাবই থেকে যায় এবং উভয় হাদীসের মধ্যে সমন্বয়সাধানও হয়ে যায়।

منافق-এর সংজ্ঞা: منافق শব্দটি نفاق থেকে নির্গত হয়েছে। অন্তরে যা কিছু রয়েছে তার বিপরীত জিনিস প্রকাশ করাকে نفاق বলা হয়। শরীয়তের পরিভাষায় نفاق বলা হয়:ابطان الكفر و اظهار الايمان অন্তরে কুফরি গোপন রাখা  কিন্তু  কোনো স্বার্থের জন্য মুখে ইসলাম প্রকাশ করা। অর্থাৎ যার অভ্যন্তর কাফির আর বাহির মুসলমান সে-ই হলো মুনাফিক। মুনাফিক দু’প্রকার:

১. যার কথা ও কাজ সঠিক, অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে মুসলমান কিন্তু আকিদা খারাপ। কুরআন ও হাদীসে মুনাফিক দ্বারা এ প্রকারই উদ্দেশ্য। অর্থাৎ আকিদাগত মুনাফিক, যারা কাফির বরং তদপেক্ষা নিকৃষ্টতর। কুরআনের ভাষায়:ان المنافقين في الدرك الاسفل من النار

২. আকিদা সহীহ আছে কিন্তু আমল খারাপ। এ প্রকার হলো কর্মগত মুনাফিক, কিন্তু সে ইমান থেকে বের হয়ে যায় না।

মুনাফিক নামকরণের কারণ: আল্লামা আইনী বলেন:زعم ابن سيده انه الدخول في الاسلام مِن وجهٍ والخروج عنه مِن اخر مشتق مِن نافقاء اليربوع (عمدة القاري) ইবনে সাইয়িদাহ বলেন, ইসলামে এক দিকে থেকে প্রবেশ করা এবং অন্য দিক থেকে বের হয়ে যাওয়াকে نفاق বলা হয়। আর منافق শব্দটি নির্গত হয়েছেنافقاء  থেকে। ইঁদুরসদৃশ একটি প্রাণী রয়েছে যাকে আরবিতে يربوع বলা হয়। দেখতে অনেকটা চিকার মত। يربوع মাটির গর্তের ভিতর থাকে। গর্তের একটি মুখ দিয়ে আসা-যাওয়া করে, কিন্তু অপর পার্শ্বেও গর্তের মুখের ন্যায় আর একটি  রাস্তা করে রাখে। তবে তা খোলা থাকে না। গর্তের ভিতরের দিক থেকে মাটি খুদে খুদে খুব হালকা একটি পর্দার ন্যায় রেখে দেয়। প্রয়োজনে মাটির হালকা প্রলেপটি সরিয়ে দিয়ে সেদিক দিয়ে যেন বের হয়ে পালিয়ে যেতে পারে। গর্তের এ বন্ধ মুখটিকে আরবিতে نافقاء বলা হয়। আর যে পথে আসা-যাওয়া করে সে মুখটিকে বলা হয় قاصعاء ; শিকারি যখন তাকে শিকার করতে আসে তখন এই يربوع প্রাণীটি  قاصعاء দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। শিকারি মনে করে যে, যেহেতু এদিক দিয়ে প্রবেশ করেছে তাই হয়ত আশেপাশেই কোথাও বসে আছে, এই ভেবে সে  قاصعاء-এর মুখে বসে থাকে এবং একপর্যায়ে তা খনন করে ভিতরে প্রবেশ করে। এদিকে يربوع - نافقاء নামক গোপন পথের মাটির প্রলেপটি খুলে বেরিয়ে পালিয়ে যায়। মুনাফিকের অবস্থাও  তদ্রƒপ। সে এক রাস্তা দিয়ে ইসলামে প্রবেশ করে আবার ভিন্ন রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে যায়। কুরআনের ভাষায়: واذا لقوا الذين امنوا قالوا امنا واذا خلوا الي شياطينهم قالوا انا معكم

অথবা এ জন্য যে, যেমনিভাবে يربوع এক রাস্তা খোলা রাখে এবং অপর রাস্তা গোপন রাখে, তেমনিভাবে মুনাফিকও ইসলামকে প্রকাশ করে অথচ অন্তরে কুফরি লুকিয়ে রাখে।

অথবা এ জন্য যে, যেমনিভাবে ইয়ারবু’ শিকারিকে ধোকা দেয় তেমনিভাবে এরাও মুসলমানদেরকে ধোকা দেয়।

ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ : প্রথম হাদীসে মুনাফিকের তিনটি আলামত বলা হয়েছে:

اذا حدث كذب  : যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, তথা বাস্তবতার পরিপন্থি বলে। অর্থাৎ সে জেনেবুঝে মিথ্যা বলে। কারণ শাস্তির জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে করা শর্ত। সুতরাং যদি কোনো ব্যক্তি নিজের জ্ঞানানুসারে  সঠিক মনে করে বলে অথচ তা বাস্তবতার পরিপন্থি হয়, তাহলে তা এর অন্তর্ভূক্ত হবে না। অথবা মিথ্যা বলা যখন তার অভ্যাসে পরিণত হবে, তখন তা মুনাফেকীর নিদর্শনরূপে গণ্য হবে। কোনো কারণে হঠাৎ করে যদি এক-দু বার মিথ্যা কথা মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, তাহলে তা মুনাফেকীর নিদর্শন হবে না।

اذا وعد اخلف : অঙ্গিকার করলে ভঙ্গ করে। অর্থাৎ ওয়াদা করার সময়ই যদি ওয়াদা পূরনণ করার নিয়ত না থাকে; বরং ওয়াদা করে ধোঁকা দেওয়া উদ্দেশ্য হয়, পক্ষ্ন্তারে ওয়াদা করার সময় যদি তা পূরণ করার পূর্ণ ইচ্ছা ছিল এবং অলসতা বা সমস্যার কারণে পূর্ণ করতে পারেনি। এ ধরনের ওয়াদা ভঙ্গা করলে তা এর অন্তর্ভুক্ত হবে না। ী

اذا اؤتمن خان : আমানত রাখলে তার খেয়ানত করে। আমানত রাখা জিনিসের মধ্যে শুধু টাকা-পয়সা, মাল-সম্পদই অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং কারও গোপন কথা বা গোপন বিষয়ও এর অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং কারো গোপন বিষয় যদি অন্যের নিকট প্রকাশ করে দেয় তাহলে তাও খেয়ানতের মধ্যে গণ্য হবে, এবং তা হবে নিফাকের আলামত।

প্রশ্ন : মুনাফিকির এ নিদর্শনগুলো তো অনেক মুসলমানের মধ্যেও পাওয়া যায়। তাহলে কি তাদেরকেও মুনাফিক বলা হবে? অথচ জুমহূর ওলামায়ে কেরামের সিদ্ধান্ত হলো এ ধরনের ব্যক্তিরা মুমিন মুসলমান। তাহলে হাদীসের মর্মার্থ কি হবে?

উত্তর : এ জটিল প্রশ্নের সমাধানে ওলামায়ে কেরাম বিভিন্ন জবাব প্রদান করেছেন।

১.    পবিত্র কুরআনে যে শাস্তি ও সতর্কবাণী উল্লিখিত হয়েছে সেটি হল, আকিদাগত মুনাফিক সংক্রান্ত। অর্থাৎ অন্তরে কুফর পরিপূর্ণ, শুধু বাহ্যিকভাবে মুসলমান হয়েছে। আর হাদীসে উদ্দেশ্য হলে আমলী মুনাফিকী। যেমন মিথ্যাচার ইত্যাদি।

২.    এখানে اية المنافق-এর আলিফ লামটি হলো عهدي ; যার দ্বারা উদ্দেশ্য মুনাফিকের বিশেষ দল যারা হুযুর (স.)-এর যুগে ছিল। যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই এবং তার অনুসারীরা।

৩.    এ বাক্যটি দ্বারা রাসূলুল্লাহ (স.) উম্মতকে ভীতি প্রদর্শন করেছেন, যাতে মু’মিন ব্যক্তিগণ এসব জঘন্য অভ্যাস থেকে বেঁচে থাকতে পারে।

৪.    এটি উপমাস্বরূপ বলা হয়েছে। অর্থাৎ এরূপ স্বভাববিশিষ্ট মানুষ মুনাফিক সদৃশ। যেমন নামাজ বর্জনকারী সম্পর্কে বলা হয়েছে:من ترك الصلاة متعمدا فقد كف

হাসান বসরী (র.)-এর মত প্রত্যাহার: হযরত হাসান বসরী (র) বলেছিলেন: من كان فيه ثلاث خصال لم اتحرج ان اقول انه منافق اذا حدث كذب الخ অর্থাৎ যার মধ্যে তিনটি স্বভাব থাকবে আমি তাকে ম্নুাফিক বলতে দ্বিধাবোধ করি না। কথা বললে মিথ্যা বলে, ওয়াদা  করলে তা ভঙ্গ করে, আমানত রাখলে তার খেয়ানত করে।

এক ব্যক্তি হযরত আতা (র.)-এর সামনে হযরত হাসান বরসী (র.)-এর এ উক্তি বর্ণনা করলে তিনি বললেন, তাঁকে বল আ’তা তোমাকে সালাম বলেছেন, এবং এও বলেছেন হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ভাইদের ঘটনা স্মরণ করুন, আর এটাও যে, নিফাক শব্দ ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রেই প্রয়োগ হতে পারে যার অন্তরে ইমান নেই। কেননা আল্লাহ তা‘আলা মুনাফিকদের সম্পর্কে বলেছেন:ذلك بانهم امنوا ثم كفروا সুতরাং যার অন্তরে কুফরি নেই তাকে মুনাফিক কিভাবে বলা হবে? লোকটি হাসান বসরী (র.)-এর নিকট হযরত আতা-এর কথাগুলি পৌঁছে দিলে তিনি বললেন: جزاك الله خيرا এই বলে তিনি নিজ মত প্রত্যাহার করে নেন। অতঃপর তিনি তার ছাত্রদেরকে বলে দিলেন যে, অনুরূপভাবে যদি কোনো আলিম আমার কথা বেঠিক সাব্যস্ত করে থাকেন তাহলে আমাকে তা অবহিত করবে।

ওলামায়ে কেরাম লিখেছেন যে, নবী করীম (স.)-এর এ উক্তিটি হলো جوامع الكلم-এর অন্তর্ভুক্ত। কারণ, মানুষের মধ্যে তিনিটি জিনি রয়েছে। কথা, কর্ম ও নিয়ত। এ তিনটি জিনিস সংশোধন হয়ে গেলে আর কি-ই বা বাকি থাকে?

 তেমনিভাবে আমলেরও তিনটি স্তর রয়েছে। এক. অন্তরের কর্ম। দুই. জবানের কর্ম। তিন. অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কর্ম। মিথ্যাচার কথা নষ্ট হওয়া বুঝায়। আমানতের খেয়ানত কর্ম খারাপ হওয়া বুঝায়, আর অঙ্গিকার ভঙ্গ করা নিয়ত খারাপ হওয়া বুঝায়।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.