Header Ads

সহীহ বুখারীঃ কিতাবুল হায়েযঃ হায়েযের সূচনা

كِتَابُ الحَيْضِ

হায়েয পর্ব

পূর্বের সাথে যোগসূত্র: ইমাম বুখারী (র.) তাহারাত তথা পবিত্রতার আহকামের মধ্য হতে হদছের বয়ান হতে ফারেগ হয়ে এখন তাহারাতেরই আরেক প্রকার আহকাম নাজাসাতের আলোচনা শুরু করেছেন।

অর্থাৎ গোসল ফরজ হওয়ার কারণসমূহের মধ্য হতে একটি হলো জানাবাত, দ্বিতীয়টি হলো হায়েয বন্ধ হওয়া, আর তৃতীয়টি হলো নেফাছ বন্ধ হওয়া। যেহেতু জানাবাতের ক্ষেত্রে পুরুষ-মহিলা উভয়েই অন্তর্ভুক্ত, এবং হায়েয ও নেফাছের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহিলারা জড়িত। তাই ইমাম বুখারী عام তথা ব্যাপক হুকুম বর্ণনা থেকে ফারেগ হওয়ার পর خاص তথা বিশেষ হুকুম বর্ণনা করা শুরু করেছেন। তাছাড়া হায়েয যেহেতু নিফাছের তুলনায় অধিক তাই হায়েযের আলোচনাকে নিফাছের আলোচনার পূর্বে রাখা হয়েছে। এ পর্বে ত্রিশটি ঈরিচ্ছেদে সর্বমোট সাইত্রিশটি হাদীস রয়েছে। 

وقول الله تعالي : وَيَسْئَلُوْنَكَ عَنِ الْمَحِيْضِ ط قُلْ هُوَ اَذًى لا فَاعْتَزِلُوا النِّسَآءَ فِى الْمَحِيْضِ لا وَلَا تَقْرَبُوْهُنَّ حَتّٰى يَطْهُرْنَ ج فَاِذَا تَطَهَّرْنَ فَاْتُوْهُنَّ مِنْ حَيْثُ اَمَرَكُمُ اللهُ ط اِنَّ اللهَ يُحِبُّ التَّوَّابِيْنَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِيْنَ

আল্লাহর বাণী: আর মানুষ আপনার নিকট ঋতুকালীন বিধান জিজ্ঞাসা করে, আপনি বলে দিন, তা অপবিত্র বস্তু, সুতরাং ঋতুকালে তোমরা স্ত্রীদের হতে পৃথক থাক, আর তাদের নিকটবর্তী হয়ো না পাক না হওয়া পর্যন্ত, অতঃপর যখন তারা উত্তমরূপে পাক হবে, তখন তাদের নিকট যাতায়াত কর যে স্থান দিয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে অনুমতি দিয়েছেন, নিশ্চয় আল্লাহ ভালোবাসেন তওবাকারীগণকে আর মহব্বত করেন পবিত্রাচারীদেরকে।   

আয়াতের শানে নুযূল : হযরত আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ইহুদিদের মাঝে এ প্রথা ছিল যে, তাদের নারীদের [হায়েজ] ঋতুস্রাব হলে তাদের সাথে খাওয়া দাওয়া উঠা বসা সব বন্ধ করে দিত। সাহাবায়ে কেরাম রাসূলে কারীম   -কে হায়েজা নারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তখন উক্ত আয়াত নাজিল হয়। এরপর নবী করীম (সা.) সাহাবাদের নির্দেশ দিলেন যে, তোমরা হায়েযা নারীদের সাথে পানাহার করো, তাদেরকে তোমাদের ঘরে রাখ, তাদের সাথে সবকিছুই করতে পারবে; শুধুমাত্র সঙ্গম করা যাবেনা।

এ আয়াত দ্বারা ইহুদিদের افلراط (বাড়াবাড়ি) এবং নাসারাদের تفريط (শিথিলতা) উভয়টিই প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেল।

তেমনিভাবে অগ্নিপূজকদের অবস্থাও তদ্রƒপ ছিল। তারা হায়েযগ্রস্ত নারীর সাথে খানাপিনা এবং এক ঘরে থাকা বৈধ মনে করত না। পক্ষান্তরে নাসারারা তাদের সাথে সঙ্গম করা থেকেও বিরত হতো না। যখন হুযুর (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো তখন তিনি বললেন সঙ্গম করা হারাম। বাকি খানাপিনা, সঙ্গে থাকা সব জায়েয আছে।

ব্যাখ্যা: একথা স্মরণ রাখা চাই যে, ইমাম বুখারী যেমনিভাবে হাদীসের হাফেয তেমনিভাবে বরং তদপেক্ষা অনেকগুণ অধিক তিনি একজন অভিজ্ঞ কুরআনের হাফেয। তাই তিনি তার স্বভাবসুলভ কিতাবুল হায়েযের সূচনাও কুরআনের আয়াত দ্বারা করছেন। যার মানশা হলো এ বিষয়বস্তুর বাবসমূহের জন্য এ আয়াতটি মূল হওয়ার দাবিদার। সুতরাং সামনে হায়েযের বাবসমূহে যতগুলি আহকাম আসবে সবগুলি এ আয়াতের তাফসীর ও ব্যাখ্যা।

حيض শব্দটি মূলত حـاض ـ يحـيـض হতে উৎপন্ন। এর অর্থ হলো প্রবাহিত হওয়া। মহিরাদের মাসিক ঋতু প্রবাহিত হওয়া।

ফিক্হশাস্ত্রের পরিভাষায় حـيـض হায়েয বা মাসিকের সংজ্ঞা হলো: دم ينفـضـه رحـم امـرأة بـالـغـة مـن غـيـر داء ‘কোনো প্রকার রোগ ছাড়াই প্রাপ্তবয়স্কা নারীর গর্ভাশয় হতে যে রক্ত নির্গত হয় তাকেই হায়েয বলা হয়।


باب كَيْفَ كَانَ بَدْءُ الْحَيْضِ وَقَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هَذَا شَىْءٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ ‏"‏‏.‏ وَقَالَ بَعْضُهُمْ كَانَ أَوَّلُ مَا أُرْسِلَ الْحَيْضُ عَلَى بَنِي إِسْرَائِيلَ، وَحَدِيثُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَكْثَرُ‏.‏

পরিচ্ছেদ: হায়েযের সূচনা কিভাবে হয়েছিল? এবং নবী করীম (সা.) বলেছেন, ইহা এমন একটি বিষয় যা আল্লাহ তা‘আলা আদম কন্যাদের উপর লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। কেউ কেউ বলেন, বনী ইসরাঈলের মেয়েদের উপর সর্বপ্রথম হায়েয আসে। ইমাম বুখারী (র.) বলেন, নবী করীম (সা.)-এর হাদীস সকল নারীদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে।

ব্যাখ্যা: ইমাম বুখারী এখানে হায়েয, নেফাস ও ইস্তেহাযার মাসায়েল ও আহকাম বর্ণনা শুরু করছেন। কিন্তু যেহেতু হায়েযের বাব ও আহকাম অধিক তাই শিরোনাম তো কিতাবুল হায়েয কায়েম করেছেন বাকিগুলি তার অধীনস্থভাবে এসে যাবে।

بدأ الحيض দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সর্বপ্রথম হায়েযের প্রকাশ ও অস্তিত্ব কখন হয়েছিল? কিভাবে হয়েছিল? এরপর মাসায়েল ও আহকাম সম্পর্কিত হাদীস বর্ণনা করবেন।

ইমাম বুখারী নবী করীম (সা.)-এর উক্তি كتب الله علي بنات آدم বর্ণনা করে বলে দিলেন যে, হায়েযের অস্তিত্ব সৃষ্টিলগ্ন থেকেই হয়েছে। অর্থাৎ হযরত হাওয়া (আ.) থেকে হয়েছে।

وَقَالَ بَعْضُهُمْ : এখানে بعضهم দ্বারা উদ্দেশ্য হলো হযরত আয়েশা ও ইবনে মাসউদ (রা.)। কারণ, তাঁদের রেওয়ায়েত দ্বারা বুঝা যায় যে, হায়েযের সূচনা বনী ইসরাঈলের যুগ থেকে হয়েছে।

মোটকথা হলো হযরত ইবনে মাসউদ ও হযরত আয়েশা (রা.) থেকে মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাকের রেওয়ায়েতে আছে যে, বনী ইসরাঈলের পুরুষ-মহিলা এক সাথে নামাজ পড়ত। তাদের মহিলারা সাজ-গোজ করে মসজিদে যেত, এবং তাদের মহিলারা সিজদাবস্থায় পুরুষদের দিকে উঁকিঝুকি মারত। অতঃপর তাদের উপর হায়েয চাপিয়ে দিয়ে তাদের মসজিদে আগমন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর দ্বারা বুঝা গেল যে, علي بني اسرائيل দ্বারা উদ্দেশ্য হলো علي بنات بني اسرائيل অর্থাৎ এখানে একটি মুযাফ উহ্য আছে।

প্রশ্ন: বাহ্যত উভয় রেওয়ায়েতের মধ্যে দ্ব›দ্ব পরিলক্ষিত হচ্ছে। শিরোনামের হাদীস দ্বারা বুঝা গেল যে, হায়েযের সূচনা হযরত হাওয়া (আ.) থেকে হয়েছে।  আর মুসান্নাফে আব্দুর রাযযাকের রেওয়ায়েত দ্বারা বুঝা যায় যে, হায়েযের সূচনা বনী ইসরাইলের মহিলাদের থেকে হয়েছে। সুতরাং উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য কিভাবে হবে?

উত্তর: এ প্রশ্নের দুটি উত্তর দেওয়া হয়েছে। যথা:

১.    একটি উত্তরের দিকে ইমাম বুখারী ইঙ্গিত করেছেন وحديث النبي (ص) اكثر বলে। ইমাম বুখারীর এ উক্তি সম্পর্কে আল্লামা আইনী বলেন:

كانه اشار بهذا الكلام الي وجه التوفيق بين الخبرين وهو ان كلام الرسول صلي الله عليه وسلم اكثر قوة وقبولا من كلام غيره من الصحابة رضي الله تعالي عنهم (عمدة القاري)

অর্থাৎ এ বাক্য দ্বারা ইমাম বুখারী দুই হাদীসের সামঞ্জের প্রতি ইঙ্গিত করছেন। আর তা হলো নবী করীম (সা.)-এর বাণী অধিকতর শক্তিশারী এবং সাহাবাদের বাণী হতে তার বাণী অধিকতর গ্রহণযোগ্য। তথা শক্তি এবং গ্রহণযোগ্যতার বিচারে ইহাই অগ্রগণ্য যে, হায়েযের শুরু হয়েছিল হযরত হাওয়া (আ.) হতেই। এক কপিতে اكثر-এর পরিবর্তে রয়েছে اكبر অর্থাৎ اكبر قوة وثبوتا

২.    দ্বিতীয় উত্তর হলো যা হাফিজ আসকালানী (র.) দিয়েছেন তা হলো: হায়েযের সূচনা হযরত হাওয়া (আ.) হতেই হয়েছে, যিনি সৃষ্টিগতভাবে সকল মহিলার আগে। আর ইহা আল্লাহ তাআলার একটি বিরাট নেয়ামত যা হযরত হাওয়া (আ.)-কে দুনিয়াতে প্রেরণের পর দেওয়া হয়েছিল। কারণ, উদ্দেশ্য হল দুনিয়া আবাদ করা। আর তা নির্ভর করে সন্তান-সšত্ততি জন্ম গ্রহণের উপর। আর সন্তানাদি জন্ম হওয়া বাহ্যতঃ নির্ভর করে হায়েযের উপর। যদি হায়েয আসা বন্ধ হয়ে যায় তাহলে সন্তানাদি জন্ম হওয়াও বন্ধ হয়ে যাবে।

মোটকথা, হায়েয হওয়া শুরু যুগ থেকেই ছিল। কিন্তু বনী ইসরাঈলের মেয়েদের উপর তাদের দুষ্টামীর কারণে শাস্তি হিসেবে পরিমাণে বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়েছিল।

 

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ، قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، تَقُولُ خَرَجْنَا لاَ نَرَى إِلاَّ الْحَجَّ، فَلَمَّا كُنَّا بِسَرِفَ حِضْتُ، فَدَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي قَالَ ‏"‏ مَا لَكِ أَنُفِسْتِ ‏"‏‏.‏ قُلْتُ نَعَمْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ، فَاقْضِي مَا يَقْضِي الْحَاجُّ، غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ وَضَحَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ نِسَائِهِ بِالْبَقَرِ‏.‏

অনুবাদ : উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, আমরা সবাই মদিনা থেকে একমাত্র হজ করার উদ্দেশ্যে বের হলাম। সারেফ নামক স্থানে এসে আমার মাসিক হলো। আমি কাঁদছিলাম। এমন সময় আল্লাহর রাসূল (সা.) আমার কাছে এলেন। তিনি জানতে চাইলেন, কেনো কাঁদছো? মাসিক ঋতু হয়েছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা আদমের মেয়েদের জন্য এটা নির্ধারিত করেছেন। তুমি কা'বাঘর তাওয়াফ ব্যতীত অন্যান্য হাজীদের মত হজ পালন করতে থাকো। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সা.) তাঁর স্ত্রীদের পক্ষ থেকে গাভী কুরবানি করেছিলেন। 

হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য إِنَّ هَذَا أَمْرٌ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَى بَنَاتِ آدَمَ -এর সাথে।

হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে এখানে ৪৩, ৪৪, ২০৬, ২২৩, ২৪০, ২৩১, ২৩২, ৪২৪, ৬৩১, ৮৩২, ৮৩৪ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

ব্যাখ্য-বিশ্লেষণ

لاَ نَرَى إِلاَّ الْحَجَّ : এখানে نَرَي শব্দটি نعلم অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তখন ইবারত হবে لا نعلم الا الحج ; আর যদি نُرَي পড়া হয় তখন অর্থ হবে لا نظن الا الحج

سَرِفَ: সারিফ হলো মক্কার নিকটবর্তী একটি স্থানের নাম। মক্কা হতে যার দূরত্ব দশ মাইল। শব্দটি غير منصرف আবার কখনও منصرفও পড়া হয়।

অর্থাৎ আমরা সাহাবারা :যারা উক্ত সফরে ছিলাম, আমরা হজ ব্যতীত অন্য কোনো কিছু জানতাম না বা ধারণা করতাম না। এর দ্বারা বাহ্যত এটাই বুঝা যায় যে, সকলেই হজের ইহরাম বেঁধেছিলেন; ওমরার নয়। কিন্তু এটা বাস্তবতার পরিপন্থি। কারণ, তারা হজ ও ওমরা উভয়েরই ইহরাম বেঁধেছিলেন। সুতরাং তাদের এ উক্তির কারণ হলো এই যে, মূলতঃ তাদের মধ্যে জাহিলিয়্যাতে কিছু নিয়ম বা প্রথার কল্পনা তখনও বাকি ছিল। তারা হজের মাসসমূহে ওমরা করাকে নিকৃষ্ট এবং গুনাহের কাজ মনে করত। এ ধারণাটি তাদের অন্তরে তখনও বদ্ধমূল ছিল। অথবা বলা যায় যে, এ উক্তির কারণ হলো এই যে, হজের সফরকে সাধারণতঃ হজের সফর বলাটাই একটা পরিভাষায় পরিণত হয়েছে। যেমন কোনো হজযাত্রীকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে, কোথায় যাচ্ছেন? সে বলবে হজ করতে যাচ্ছি। অথচ সেখানে গিয়ে সে ওমরাও করবে, কিন্তু কেউ ওমরার নামও নেয় না।

এখানে হযরত আয়েশা (রা.) নিজে ছিলেন তামাত্তু হজকারী। (এ হজের জন্য ওমরা করা আবশ্যক) যিনি মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধেছিলেন। অথচ তিনিই বলছেন আমরা হজে যাচ্ছি, হজ ভিন্ন অন্য কিছু  আমরা জানতাম না। সুতরাং প্রধান উদ্দেশ্য যেহেতু ছিল হজ, আর ওমরা হজের তুলনায় ছোট কাজ, তাই হজের কথাই বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য হলো আমাদের চিন্তা ছিল একটাই:তা হলো হজ; কারণ, প্রধান উদ্দেশ্য তো হজই ছিল।

غَيْرَ أَنْ لاَ تَطُوفِي بِالْبَيْتِ : কারণ তওয়াফ হয়ে থাকে মসজিদে, আর হায়েযগ্রস্ত মহিলার মসজিদে প্রবেশ নিষেধ। তাছাড়া বায়তুল্লাহর তওয়াফ হলো নামাজের সমতূল্য। আর হায়েয অবস্থায় নামাজ পড়া নিষেধ।

আরো জানতে দেখুন নাসরুল বারী কিতাবুল মাগাযী অষ্টম খণ্ড।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.