অনুবাদ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কাতাদাহ (রা.) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। আল্লাহর নবী (সা.) যুহরের প্রথম দুই রাকাআতে সূরা ফাতিহা এবং (প্রতি রাকাআতে একটি করে) আরো দুটি সূরা পড়তেন এবং শেষের দুই রাকাআতে শুধু সূরা ফাতিহা পড়তেন। কোনো কোনো সময় আমরা তাঁর আয়াত পাঠ শুনতে পেতাম। আর প্রথম রাকাআতটি তিনি যেমন দীর্ঘ করতেন দ্বিতীয় রাকাআতটি তেমন করতেন না। আছর ও ফজর উভয় ওয়াক্তেই এমন করতেন।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: এ শিরোনাম দ্বারা ইমাম বুখারীর দুটি উদ্দেশ্য হতে পারে। যথা:
১. ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য ঐ সমস্ত লোকদের মত খণ্ডন করা, যারা শেষ দুই রাকাতে কেরাত পড়ার প্রবক্তা নন। তিনি প্রমাণ করতে চাচ্ছেন যে, শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার প্রমাণ আছে। জুমহূর আইম্মাগণের মাযহাবও এটি যে, শেষ দুই রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে।
২. ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য এও হতে পারে যে, শেষ দুই রাকাতে শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা পড়া হবে, সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা মিলাতে হবে না। জুমহূর আইম্মা, ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালেক, ইমাম আহমদ প্রমুখের মাযহাবও এটি। শেষ দুই রাকাতে শুধুমাত্র সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। ইমাম শাফেয়ীর একটি কওল হলো সূরা ফাতিহার সাথে সূরা মিলাতে হবে। ইমাম বুখারী তার মতকে খণ্ডন করতে চাচ্ছেন। তবে শাফেয়ীগণের অধিকাংশ ফোকাহাগণের নিকট প্রাচীন কওলটিই مفتي به; যা জুমহূরের অনুরূপ।
কোন মন্তব্য নেই