অনুবাদ : উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, আমি নবী (সা.)-এর সাথে বিদায় হজের ইহরাম বেঁধে ছিলাম। আমি তাদের মধ্যে শামিল ছিলাম যারা তামাত্তুর নিয়ত করেছিল। এবং কুরবানির পশু সাথে আনেনি। তিনি বলেন, আমার মাসিক ঋতু শুরু হলো এবং আরাফার রাত পর্যন্ত চললো। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আজ আরাফার রাত এবং আমি ওমরাহসহ তামাত্তুর নিয়ত করেছি। রাসূল (সা.) তাকে বলেন, মাথার বেণী/খোঁপা খুলে ফেলো, চুল আঁচড়াও এবং ওমরা থেকে বিরত থাকো। আমি তাই করলাম। হজ সমাধা করার পর তিনি আমার ভাই আব্দুর রহমানকে হাসবা নামক স্থানে আদেশ করলেন, ওমরা করানোর জন্য। সেভাবে তিনি আমাকে মাকামে তানীম থেকে ওমরা করালেন, যে ওমরার জন্য আমি ইতোপূর্বে ইহরাম বেঁধেছিলাম।
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য انْقُضِي رَأْسَكِ، وَامْتَشِطِي -এর দ্বারা ইঙ্গিতার্থক হলো গোসল করা। ইমাম বুখারী عِنْدَ غُسْلِهَا مِنَ الْمَحِيضِ দ্বারা এদিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, মহিলাদের সাধারণ অভ্যাস এটিই যে, হায়েযের গোসলের সময় মাথার বেণী/খোঁপা খুলে চুল আঁচড়ে নেয়। ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য তো হলো হায়েযের গোসলের পদ্ধতি বর্ণনা করা। যেমনিভাবে পূর্বের বাবে শরীর ডলে ধৌত করার উলেখ ছিল। এ বাবে চিরুণী দ্বারা চুল আঁচড়ানো এবং পরবর্তী বাবে মাথার চুলের বেণী/খোঁপা খোলার কথা উলেখ রয়েছে। সম্মিলিতভাবে তিনি এটা বর্ণনা করতে চাচ্ছেন যে, যখন ইহরামের গোসলের সময় চুল আঁচড়ানোর বিধান রয়েছে তাহলে হায়েযের গোসলের জন্য তো আরো উত্তমভাবেই তার প্রতি বিশেষ গুরুত্বপ্রদান করতে হবে।
কোন মন্তব্য নেই