باب الْمُتَيَمِّمُ هَلْ يَنْفُخُ في يديه بعدَ ما يَضْرَبُ بهما الصَّعِيْدَ للتَّيَمُّمِ
পরিচ্ছেদ : তায়াম্মুমের জন্য মাটিতে হাত মারার পর (ধুলাবালি কমানোর জন্য) উভয় হাতে ফূঁ দিবে কিনা?
حَدَّثَنَا آدَمُ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبْزَى، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ إِنِّي أَجْنَبْتُ فَلَمْ أُصِبِ الْمَاءَ. فَقَالَ عَمَّارُ بْنُ يَاسِرٍ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَمَا تَذْكُرُ أَنَّا كُنَّا فِي سَفَرٍ أَنَا وَأَنْتَ فَأَمَّا أَنْتَ فَلَمْ تُصَلِّ، وَأَمَّا أَنَا فَتَمَعَّكْتُ فَصَلَّيْتُ، فَذَكَرْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ هَكَذَا ". فَضَرَبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِكَفَّيْهِ الأَرْضَ، وَنَفَخَ فِيهِمَا ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ وَكَفَّيْهِ
অনুবাদ : হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা.) একদিন ওমর ইবনে খাত্তাবকে বললেন, আপনার কি মনে আছে যে, আমি ও আপনি সফরে ছিলাম এবং উভয়ই অপবিত্র হয়েছিলাম। কিন্তু আপনি নামাজ আদায় করলেন না। কিন্তু আমি মাটিতে গড়াগড়ি দিলাম ও নামাজ আদায় করলাম। তারপর আমি নবী (সা.)-কে এ বিষয়ে জানালাম। তিনি বললেন, এটিই তো তোমার জন্য যথেষ্ট ছিল। এই কথা বলে নবী (সা.) তাঁর দুই হাতের তালু মাটিতে মারলেন এবং তা ফুঁ দিয়ে ঝাড়লেন। তারপর তার সাহায্যে নিজের মুখমন্ডল ও ইস্তদ্বয় মাসেহ করলেন।
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য فَضَرَبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِكَفَّيْهِ الأَرْضَ، وَنَفَخَ فِيهِمَا -এর সাথে।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে এখানে ৪৮৮, ৪৮ ও ৪৯ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: তায়াম্মুম যেহেতু অজুর স্থলাভিষিক্ত এবং বদল, তাই এ ধারণা হতে পারে যে, যেমনিভাবে অজুতে পানির চিহ্ন পূর্ণ অঙ্গে থাকে তেমনিভাবে তায়াম্মুমেও পূর্ণ অঙ্গে মাটি পৌঁছানো আবশ্যক হওয়া চাই।
ইমাম বুখারী এ শিরোনাম কায়েম করে এটা বলে দিলেন যে, চেহারা এবং হাতে মাটির চিহ্ন থাকা আবশ্যক নয়। কারণ, ইহা পরিচ্ছন্নতার পরিপন্থি; বরং মাটি-মিশ্রিত হাত চেহারার উপর মোছা অঙ্গ-বিকৃতি করার সমার্থক যা হাদীসে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই তায়াম্মুমের জন্য মাটির উপর হাত মেরে ফুঁক দিয়ে মাটি উড়িয়ে দিয়ে চেহারা এবং হাত মাসেহ করে নিলেই হবে।
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভী (র.) বলেন: اي يستحب ذلك اذا تعلق بالاعضاء تراب كثير تحرزا عن المثلةঅর্থাৎ ফুঁ দেওয়া কোনো জরুরী বা আবশ্যক বিষয় নয়। হাতে মাটির পরিমাণ বেশি হলে ফূঁ দিয়ে মাটি কমিয়ে নিবে, যেন চেহারা বিশ্রী না দেখায়।
এ রেওয়ায়েতে হযরত ওমর (রা.)-এর উত্তর বর্ণিত হয়নি। নাসাঈ এবং ইবনে মাজায় তার উত্তর উল্লেখ আছে: لا تصل
কোন মন্তব্য নেই