Header Ads

সহীহ বুখারীঃ কিতবুস সালাহঃ নামাজ কায়েম করার উপর বায়আত গ্রহণের বর্ণনা

 باب الْبَيْعَةِ عَلَى إِقَامَةِ الصَّلاَةِ

 
পরিচ্ছেদ: নামাজ কায়েম করার উপর বায়আত গ্রহণের বর্ণনা

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنَا قَيْسٌ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ‏

অনুবাদ: হযরত জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) বলেছেন, নামাজ কায়েম করা, যাকাত আদায় করা ও প্রত্যেক মুসলমানের কল্যাণ কমানা করে উপদেশ দানের জন্য আমি নবী (সা.)-এর কাছে বাইয়াত গ্রহণ করেছিলাম।
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ -এর সাথে।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে ১৩, ১৪, ৭৫, ১৮৮, ২৮৯ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো নামাজের ফযীলত বর্ণনা করা। এটা স্পষ্ট যে, নবী করীম (সা.)-এর নিকট নামাজের এত অধিক গুরুত্ব ছিল যে, তিনি সাহাবায়ে কেরামের নিকট হতে নামাজ কায়েম করার ব্যাপারে বাইআত নিতেন।
আর ইকামাতে সালাত দ্বারা উদ্দেশ্য হলো নমাজের যাবতীয় শর্তাবলী, রুকনসমূহ ও আদবসমূহ সহকারে আদায় করা। আর যেহেতু ইকামাতে সালাত নামাযের সময়ের মধ্যেই হয়ে থাকে তাই مواقيت-এর সাথেও সামঞ্জস্য হয়ে যাবে।
ব্যাখ্যা:
নবী করীম (সা.) তাওহীদের পর নামাজের বায়আত নিতেন। কেননা নামাজ হলো দৈহিক সকল ইবাদতের সেরা ইবাদত। এরপর যাকাতের বায়আত নিতেন, কারণ যাকাত হলো আর্থিক সকল ইবাদতের সেরা ইবাদত। যেহেতু জারীর ছিলেন গোত্রের নেতা, তাই তাকে সকল মুসলমানের সাথে কল্যাণমূলক আচরণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন আব্দুল কায়েস গোত্রের লোকদেরকে গনিমতের এক পঞ্চমাংশ আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন। যেহেতু এরা ছিল মুজাহিদ, মুযার গোত্রের কাফেরদের সাথে তাদের অহরহ যুদ্ধ-বিগ্রহ হতে থাকত।
এর দ্বারা এ বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে গেল যে, মাশায়েখগণ বায়আত গ্রহণকালে সকল ব্যক্তির উপযুক্ত বিষয়টি উল্লেখপূর্বক বায়আত গ্রহণ করা উচিত। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের মাশায়েখগণ এ বিষয়ের প্রতি বিশেষ যত্নবান থাকেন।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.