Header Ads

সহীহ বুখারীঃ কিতবুস সালাহঃ নামাজের পাবন্দী কর

 بَابُ قول الله عز وجل : {مُنِيبِينَ إِلَيْهِ وَاتَّقُوهُ وَأَقِيمُوا الصَّلاَةَ وَلاَ تَكُونُوا مِنَ الْمُشْرِكِينَ} 

 
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبَّادٌ ـ هُوَ ابْنُ عَبَّادٍ ـ عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَدِمَ وَفْدُ عَبْدِ الْقَيْسِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا إِنَّا مِنْ هَذَا الْحَىِّ مِنْ رَبِيعَةَ، وَلَسْنَا نَصِلُ إِلَيْكَ إِلاَّ فِي الشَّهْرِ الْحَرَامِ، فَمُرْنَا بِشَىْءٍ نَأْخُذْهُ عَنْكَ، وَنَدْعُو إِلَيْهِ مَنْ وَرَاءَنَا‏.‏ فَقَالَ ‏ "‏ آمُرُكُمْ بِأَرْبَعٍ، وَأَنْهَاكُمْ عَنْ أَرْبَعٍ الإِيمَانِ بِاللَّهِ ـ ثُمَّ فَسَّرَهَا لَهُمْ شَهَادَةُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامُ الصَّلاَةِ، وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ، وَأَنْ تُؤَدُّوا إِلَىَّ خُمُسَ مَا غَنِمْتُمْ، وَأَنْهَى عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ وَالْمُقَيَّرِ وَالنَّقِيرِ ‏"‏‏

পরিচ্ছেদ: মহান আল্লাহর বাণী- ‘তোমরা আল্লাহ তা‘আলার দিকে প্রত্যাবর্তিত হয়ে তাঁরই প্রদত্ত যোগ্যতার অনুসরণ কর এবং তাঁকে ভয় কর এবং নামাজের পাবন্দী কর এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত থেকো না।’
অনুবাদ: হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, আব্দুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দল আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে বললো, আপনার ও আমাদের মাঝখানে এই রাবী'য়া গোত্রের অবস্থান। সুতরাং নিষিদ্ধ মাসসমূহ ব্যতীত আমরা আপনার কাছে আসতে পারি না। সুতরাং আপনি আমাদেরকে এমন কিছু নির্দেশ দিন যা আমরা নিজেরাও গ্রহণ করবো এবং যারা আসতে পারেনি তাদেরকেও সেদিকে আহ্বান জানাবো। আল্লাহর নবী (সা.) বললেন, আমি তোমাদের চারটি কাজ করতে নির্দেশ দিচ্ছি, আর চারটি কাজ করতে নিষেধ করছি। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করার। তিনি তাদের কাছে (এভাবে) ঈমানের ব্যাখ্যা করলেন। ঈমান হলো, আল্লাহ ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং আমি তাঁর রাসূল- এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা, নামাজ কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা আর যা ‘গণীমাত' লাভ করবে তার এক-পঞ্চামাংশ আমার কাছে প্রদান করবে। (অর্থাৎ ইসলামী রাষ্ট্রকে প্রদান করবে)। আর তোমাদেরকে নিষেধ করছি লাউ পাত্র, সবুজ রঙের কলস, তেলে পাকানো পাত্র এবং কাঠের গুড়ি দিয়ে প্রস্তুত করা পাত্র ব্যবহার করা থেকে। (এসব পাত্রে যে যুগে মদ প্রস্তুত করা হতো বিধায় সে সময় এসব পাত্র ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ছিলো)
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য স্পষ্ট। তা এভাবে যে, উল্লিখিত আয়াতে নামাজ কায়েম করাকে শিরক না করার সাথে যুক্ত করা হয়েছে, আর হাদীসে তাওহীদ বা একত্ববাদ প্রমাণের কথা নামাজ কায়েমের সাথে করা হয়েছে।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি ইমাম বুখারী (র.) দশ স্থানে উল্লেখ করেছেন।  সে স্থানগুলো হলো- ১৩, ১৯, ৭৫, ১৮৮, ৪৩৬-৪৩৭, ৪৯৮, ৬২৬, ৬২৭, ৯১২, ১০৭৯ ও ১১২৮ নং পৃষ্ঠাসমূহ।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: এ শিরোনাম দ্বারা ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো নামাজের গুরুত্ব ও নামাজের সময়ের গুরুত্ব বর্ণনা করা। কেননা, নামাজ হলো অতি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এবং কুফর ও ইসলামের মাঝে পার্থক্যকারী। এমনকি ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (র.) নামাজ তরককারীকে কাফের মনে করেন। যার বিস্তারিত বিবরণ সামনে আসবে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.