باب اثم مَنْ تَرَكَ الْعَصْرَ
পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ছেড়ে দিল তার গুনাহ সম্পর্কে
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، قَالَ كُنَّا مَعَ بُرَيْدَةَ فِي غَزْوَةٍ فِي يَوْمٍ ذِي غَيْمٍ فَقَالَ بَكِّرُوا بِصَلاَةِ الْعَصْرِ فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ تَرَكَ صَلاَةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ ".
অনুবাদ: হযরত আবুল মারীহ (রা.) বলেন, কোনো এক যুদ্ধে এক বৃষ্টির দিনে আমরা বুরাইদার সাথে ছিলাম। তিনি বললেন, তাড়াতাড়ি করে তোমরা আসরের নামাজ আদায় করে নাও। কারণ আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আসরের নামাজ ছেড়ে দিল তার সকল আমল নষ্ট হয়ে গেল।
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য مَنْ تَرَكَ صَلاَةَ الْعَصْرِ فَقَدْ حَبِطَ عَمَلُهُ -এর সাথে।
হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে ৭৮, ৮৩ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: বিগত শিরোনাম অর্থাৎ ৩৬৩ শিরোনাম দেখুন।
ব্যাখ্যা:
উপরে বর্ণিত হয়েছে যে, উভয় বাবের মধ্যে পার্থক্য আছে। ইমাম বুখারী এ বাবে ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ বর্জন করার হুকুম বর্ণনা করছেন। পুর্বের বাবের রেওয়ায়েতে আছে- وتر اهله و ماله ; আর এ বাবে আছে- حبط عمله আর একথা স্পষ্ট যে, حبط اعمال [আমল ধ্বংস হওয়া] ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্তুতি ধ্বংস হওয়া অপেক্ষা জঘন্য ও কঠিন বিষয়। কেননা, পূর্বের বাবে পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদের ক্ষতির কথা ছিল, যা হলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ক্ষতি। আর এ বাবে حبط اعمال বা আমল সম্পর্কিত ক্ষতির কথা রয়েছে, যা হলো নিজের ক্ষতি।
প্রশ্ন: নামাজ ইচ্ছাকৃত তরক করা কবিরা গুনাহ। আর حبط اعمال বা আমল ধ্বংস হওয়া এটি হলো শিরক ও কুফরের শাস্তি? কারণ, আল্লাহর বাণী- ومن يكفربالايمان فقد حبط عمله অন্যত্র আছে- ولو اشركوا لحبط عنهم ما كانوا يعملون আর একথা স্পষ্ট যে, নামাজ তরক করা শিরক ও কুফরি নয়।
উত্তর: এর কয়েকটি হতে পারে। যথা-
১. এখানে নামাজ তরক দ্বারা উদ্দেশ্য হলো علي سبيل الانكار অস্বীকারবশতঃ তরক করা।
২. অথবা, علي سبيل الاستهزاء উপহাসস্বরূপ।
৩. অথবা, একথাটি ধমকের জন্য প্রযোজ্য হবে। যেমন হাদীসে আছে- من ترك الصلوة متعمدا فقد كفر
কোন মন্তব্য নেই