পরিচ্ছেদ: প্রসূতির জানাযার নামাজ পড়া এবং তার পদ্ধতি প্রসঙ্গে
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي سُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا شَبَابَةُ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، أَنَّ امْرَأَةً، مَاتَتْ فِي بَطْنٍ، فَصَلَّى عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ وَسَطَهَا
অনুবাদ: হযরত সামুরা বিন জুনদুব (রা.) হতে বর্ণিত, এক মহিলা (উম্মে কা’ব) প্রসবের সময় মারা গেছে। নবী করীম (সা.) তার উপর (জানাযার) নামাজ পড়লেন। তিনি তার মধ্যখান বরাবর দাঁড়ালেন।
مَاتَتْ فِي بَطْنٍ : পেটের সন্তান প্রসব সংক্রান্ত কারণে মৃত্যুবরণ করে। এর দ্বারা বুঝা গেল মানুষের ঐ ধারণাটি ভুল যা তারা বলেছেন যে, তার মৃত্যু পেটের পীড়া তথা কলেরায় হয়েছে; বরং উদ্দেশ্য হলো প্রসবকালেই তার মৃত্যু হয়েছে। এর প্রমাণ হলো এ রেওয়ায়েতটি বুখারী শরীফের ১৭৭ পৃষ্ঠায় কিতাবুল জানায়েযে উলেখ হয়েছে। সেখানে আছে: ماتت في نفاسها ;
উলেখ্য এখানে في শব্দটি تعليلية তথা কারণ বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন এক হাদীসে রয়েছে: ان امرأة دخلت النار في هرة حبستها এক মহিলা একটি বিড়ালকে বেঁধে রাখার কারণে জাহান্নামে গিয়েছে। এখানেও فيটি তালীল তথা কারণ বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য:
এ শিরোনামের দুটি অংশ রয়েছে। এক. একটি হলো নিফাসকালীন যদি মহিলা মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার জানাযার নামাজ আদায় করা হবে। যেমন হাদীসে রয়েছে: فَصَلَّى عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم নাবী করীম (সা.) উম্মে কা’ব (রা.)-এর জানাযার নামাজ পড়েছেন। দুই. দ্বিতীয় অংশ হলো এ রকম মহিলার জানাযার নামাজের পদ্ধতি কি? সে সম্পর্কে হাদীসে রয়েছে فَقَامَ وَسَطَهَا ;
ব্যাখ্য-বিশ্লেষণ
হানাফীদের মতে মাইয়েত পুরুষ হোক বা মহিলা উভয়ের জন্যই সীনা বরাবর দাঁড়াতে হবে। এ রেওয়ায়েতটি তার পরিপন্থি নয়। কারণ, সীনার একদিকে মাথা এবং হাত এবং অপরদিকে পেট এবং পা থাকে। কাজেই সীনা হলো মধ্যখান।
কোন মন্তব্য নেই