অনুবাদ: হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, তিনি আল্লাহর নবী (সা.)-এর কাপড় থেকে বীর্ষ ধুতেন। তারপর তিনি নামায পড়তে যেতেন তখনও কাপড়ে পানির ভেজা দাগ দেখতেন।
পূর্বের সাথে যোগসূত্র: উভয় বাবের মধ্যে যোগসূত্র স্পষ্ট, তা এভাবে যে, উভয় বাবের আলোচনার বিষযবস্তু এক ও অভিন্ন।
বাবের উদ্দেশ্য: ইমাম বুখারী (র.) এখানে এ কথা বলতে চাচ্ছেন যে, প্রস্রাব, রক্ত এবং বীর্য জাতীয় নাপাকগুলো যদি নিয়মতান্ত্রিকভাবে ধৌত করার পরও সেখানে কোনো চিহ্ন বা দাগ থেকে যায় তাহলে এতে কোনো ক্ষতি নেই। কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে।
অনুবাদ: হযরত আয়িশা (রা.) বলেন, তিনি আল্লাহর নবী (সা.)-এর কাপড় থেকে বীর্য ধুতেন। তারপর তিনি কাপড়ে পানির ভেজা দাগ দেখতেন।
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য أَنَّهَا كَانَتْ تَغْسِلُ الْمَنِيّ -এর সাথে স্পষ্ট। তবে এতটুকু বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, ইমাম বুখারী শিরোনামে مني-এর সাথে وغيرها শব্দ দ্বারা অন্যান্য নাপাকের কথাও উলেখ করেছেন। কিন্তু শিরোনামের অধীনে বর্ণিত হাদীসে কোথাও এর উলেখ নেই। মূলতঃ ইমাম বুখারী وغيرها শব্দ বৃদ্ধি করে এ দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, এ হুকুম শুধুমাত্র জানাবাতের সাথেই নির্ধারিত নয়; বরং অন্যান্য নাজাসাতেরও হুকুম এই একই।
যেহেতু ইহা একটি প্রমাণিত বাস্তবতা, তাই বাবে উলেখিত রেওয়ায়েতগুলোতে এর তালাশ করার কোনো প্রয়োজন নেই। অথবা জানাবাতের হুকুম জানার পর তার উপর অন্যান্য বিষয়ের হুকুমও কিয়াস করে নিন।
অবশ্য আবু দাউদ শরীফের এক রেওয়ায়েতে স্বয়ং হযরত আয়িশা (রা.) হতে বর্ণিত রয়েছে, يكفيك الماء ولا يضرك اثره ‘পানির ব্যবহার তোমার জন্য যথেষ্ট হবে, তার দাগ থেকে গেলে কোনো ক্ষতি নেই।
কোন মন্তব্য নেই