حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَأَذِّنَا وَأَقِيمَا، ثُمَّ لِيَؤُمَّكُمَا أَكْبَرُكُمَا ".
পরিচ্ছেদ: দুই জন বা ততোধিক হলে জামাত হবে
অনুবাদ: হযরত মালেক ইবনে হুয়াইরিছ (রা.) বলেন, আল্লাহর নবী (সা.) দুইজন লোককে বিদায় দেয়ার সময় বলেছেন, নামাজের সময় হলে তোমরা আজান ও ইকামত দিবে তারপর তোমাদের মধ্যে যে বয়োজ্যেষ্ঠ সে-ই ইমামতি করে নামাজ আদায় করাবে।
প্রাসঙ্গিক আলোচনা
হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য لِيَؤُمَّكُمَا أَكْبَرُكُمَا -এর সাথে।
শিরোনামের উদ্দেশ্য: ইমাম বুখারী শিরোনামে যে শব্দ ব্যবহার করে তা আবু মূসা আশআরী (রা.) মারফূ’ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে: قال قال رسول الله (ص) اثنان فما فوقهما جماعة
কিন্তু যেহেতু এ রেওয়ায়েতটির শব্দাবলী ইমাম বুখারীর শর্ত অনুযায়ী হয়নি, তাই তিনি এটি উলেখ করেননি। কিন্তু যেহেতু হাদীসের বিষয়বস্তু সহীহ তাই ইমাম বুখারী একে শিরোনামে এনে হাদীসের মাফহূমের সমর্থন করেছেন।
এ শিরোনাম দ্বারা ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো এটা বর্ণনা করা যে, জামাত শব্দটির প্রয়োগ যদিও তিনজনের জন্য হয়ে থাকে, কিন্তু কখনও দুই জনের জন্যও হয়ে থাকে। বিশেষ করে নামাজের জামাতের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ যদি লোক দুই জন হয়, একজন ইমাম অপরজন মুক্তাদি, তাহলেই যথেষ্ট হবে, এবং জামাতের ছওয়াব পাবে।
কোন মন্তব্য নেই