Header Ads

সহীহ বুখারীঃ কিতাবুল আযানঃ ইকামতের সময় কথা বলার বর্ণনা

باب الْكَلاَمِ إِذَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ

حَدَّثَنَا عَيَّاشُ بْنُ الْوَلِيدِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، قَالَ سَأَلْتُ ثَابِتًا الْبُنَانِيَّ عَنِ الرَّجُلِ، يَتَكَلَّمُ بَعْدَ مَا تُقَامُ الصَّلاَةُ فَحَدَّثَنِي عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَعَرَضَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ فَحَبَسَهُ بَعْدَ مَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ‏.‏

পরিচ্ছেদ: ইকামতের সময় কথা বলার বর্ণনা

অনুবাদ: হযরত হুমাইদ বলেন, নামাজের ইকামত হয়ে যাবার পরও যে ব্যক্তি কারো সাথে কথা বলে তার সম্পর্কে আমি সাবিত বুনানীর কাছে প্রশ্ন করলে তিনি আমার কাছে আনাস ইবনে মালেকের এই হাদীসটি বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন, একবার নামাজের ইকামত হয়ে যাবার পর নবী (সা.)-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে উপস্থিত হয় এবং নামাজের ইকামত হয়ে যাবার পরও সে কথা বলতে বলতে রাসূলুল্লাহ্ (সা.)-কে আটকে রাখে।

প্রাসঙ্গিক আলোচনা

হাদীসের সামঞ্জস্য: শিরোনামের সাথে হাদীসের সামঞ্জস্য فَحَبَسَهُ بَعْدَ مَا أُقِيمَتِ الصَّلاَةُ-এর সাথে।

হাদীসের পুনরাবৃত্তি: হাদীসটি বুখারী শরীফে ৮৯, ৯৩১ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে।

শিরোনামের উদ্দেশ্য: হাফিজ ইবনে হাজার (র.) বলেন, এর দ্বারা ইমাম বুখারীর উদ্দেশ্য হলো ঐ সমস্ত লোকদের মত খণ্ডন করা যারা এ সময় কথা বলাকে সাধারণভাবে মাকরূহ বলেন।

আল্লামা আইনী লিখেছেন হানাফীদের নিকট ইকামত ও তাকবীরে তাহরীমার মাঝে কথা বলা তখনই মাকরূহ হবে যদি তা বিনা প্রয়োজনে হয়। কিন্তু যদি কোনো শরয়ী ও দীনী প্রয়োজনে কথা বলে তাহলে মাকরূহ হবে না। এ হাদীসে নবী করীম (সা.) হতে কথা বলা প্রয়োজনের কারণে ছিল। সুতরাং বুঝা গেল প্রয়োজনের কারণে কথা বলা যাবে। মাকরূহ হবে না।


কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.